আজকের জীবনে কবিতা ও রম্যরচনার পরিধি ফেসবুকের ফীডে ও ব্রাউজারের স্ক্রিনে ব্যাপ্তিলাভ করছে। সাহিত্যকৃতির পৃষ্ঠপোষণ ডিজিটাল পাবলিশিং অনেক সহজ করে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে নতুন পাঠক-পাঠিকা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের আনন্দগ্রহন করছেন। কবি লেখক তাৎক্ষণিক সমালোচনা পেয়ে যাচ্ছেন পাঠকদের থেকে, যা তাঁদের লেখনী আরও সুস্পষ্ট করতে সাহায্য করছে। লেখক-পাঠক মেলবন্ধন নতুন কৃতির জন্ম দিচ্ছে তিল তিল করে, সবার সামনে। আমরা এই জগতে আমাদের অবস্থান অবশ্য কাম্য বলে মনে করি।

কেউ কেউ হয়তো বলবেন, নিভৃত সাহিত্যসাধনাকে এসব করে খোলা বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। বরেণ্য সাহিত্যিকদের সৃষ্টি ইন্টারনেটের ঘোলাজলে ডুবিয়ে তাঁদের অসম্মান বই কিছু হচ্ছে না — শুধু ছাপার হরফেই সাহিত্যের একমাত্র সাফল্য। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন, যখন সারা বিশ্বের পাঠকরা অসাধারণ কিছু সাহিত্যকৃতি আবিষ্কার করতে চাইছেন তখন কি গুগল লিটল ম্যাগাজিনের পাতায় তার সন্ধান দেবে? আপনারাই বলুন, পবিত্রতার সন্ধানে নবীন বাংলা সাহিত্যের অবগুন্ঠন কি সাজে?

সাহিত্য সমাজের প্রতিফলন। কবিতা হোক বা গদ্য, পাঠকের মনের অনুরণনে তার সাফল্য। আজ আমাদের সেখানে থাকতে হবে যেখানে পাঠকরা আমাদের কাছে পাবেন — আমাদের সাথে তাঁদের অনুভব ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারবেন। সে বাবদে আমাদের সামান্য প্রয়াস এই ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ। আশা করি আগের মতো এই নতুন প্রয়াসও আপনাদের পৃষ্ঠপোষকতা পাবে।